প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন এ-সহ নানান পুষ্টি উপাদানে ভরপুর ডিম যেকোনো সময়েই খাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডিম গুরুপাক খাবার হলেও এটি একটি পরিপূর্ণ খাবার। লৌহ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং একাধিক ভিটামিন পাওয়া যায় ডিম থেকে।
অনেকেই মনে করেন গরমকালে ডিম খাওয়া পেটের গোলমালের কারণ হতে পারে যা আরেকটি ভুল ধারণা।
বরং ডিম গরমের সঙ্গে দেহকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে পারে। শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতেও উপকারী ভূমিকা রয়েছে ডিমের, যা গ্রীষ্মকালে অত্যন্ত জরুরি।
গরমে অবসাদ ও শারীরিক দূর্বলতা থেকে রক্ষা করতে এবং কর্মশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ডিম।
সঠিক পরিমাণ: গরমের দিনে একটি কিংবা দুটি ডিম খেলে কোনো সমস্যা নেই, তবে এর বেশি নয়। এমনকি যারা পেশিবহুল দেহ বানাচ্ছেন এবং নিয়মিত ব্যায়ামাগারে গিয়ে ভারী ব্যায়াম করছেন তাদেরও উচিত হবে ডিম খাওয়ায় লাগাম টানা। দিনে দুতিনটি ডিমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা।
ডিম পেটে গিয়ে গরম সৃষ্টি করে, তাই বেশি খেলে পেটে গোলমাল দেখা দিতে পারে।
খাওয়ার পদ্ধতি: যেকোনো ভাবেই ডিম খাওয়া যায়। সিদ্ধ, পোঁচ, রান্না, ভাজা সবগুলোতেই আছে কমবেশি পুষ্টিগুণ। তবে ভাজার চাইতে সিদ্ধ ডিম খাওয়াতে উপকার বেশি।