weather ২৭.৯৯ o সে. আদ্রতা ৮৩% , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর খোজে

প্রকাশ : ২৬-০২-২০২০ ২৩:১২

নিজস্ব প্রতিবেদক

#হারিয়ে_যাওয়া_বন্ধুর_খোজে আমার বাবা বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার হবার কারনে বিভিন্ন স্টেশনে ট্রান্সফার হয়ে যেতে হতো। কোথাও বেশী সময় কোথাও কম সময় থাকা হতো। তার দরুন আমাদেরকেও বাবার সাথে দেশের অনেক স্টেশনে যেতে হয়েছে, আর সেখানেই পড়াশোনা করতে হয়েছে, যেমন, কুড়িগ্রাম, রাজারহাট, ভোটমারী, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও জেলার), পাটগ্রাম (লালমনিরহাট জেলার) শেষে হোম ডিস্ট্রিক্ট গাইবান্ধায় এসে শেষ হয়। সব যায়গায় অনেক বন্ধু গড়ে উঠে। মোটামুটি সব জায়গার বন্ধুদের সাথেই যোগাযোগ আছে। কিন্তু পীরগঞ্জ এ খুবই অল্প সময় থাকতে পেরেছি। ১৯৮৯ এর জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬মাস। সেই সময় পীরগঞ্জের পোস্টঅফিসের পিছনেই হাইস্কুলের মাঠের পশ্চিম পার্শে সবুজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওই ৬ মাস শুধু ক্লাস করতে পেরেছি, বছরের অর্ধেক এ ভর্তি নেয়নি (সিস্টেম ও ছিলোনা)। সেখানে পড়াশোনা করার সময় এই অল্প সময়েই বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল তুহিন নামের এক বন্ধুর সংগে। তুহিনের ডাক নাম ই খেয়াল আছে। তুহিনের বাবা সেই পোস্টঅফিসেই জব করতেন আর পোস্টঅফিসের সাথে থাকা বাসাতেই তারা থাকতেন। তুহিনের বড় ভাই তমাল ভাইয়াও আমাকে ছোট ভাইয়ের মত দেখেছেন। ১৯৮৯ এর অক্টোবরে আব্বা ট্রান্সফার হয়ে যান পাটগ্রামে, আমরাও নভেম্বরে চলে যাই সেখানে। শুনেছিলাম তারাও কিছুমাস পর ট্রান্সফার হয়ে চলে গিয়েছিলো, কোথায় গিয়েছে খেয়াল নাই। বন্ধু তুহিনের সাথে কিছুদিন চিঠি চালাচালি চলে। দুরত্বের কারনে ধীরে ধীরে আর যোগাযোগ টা মলিন হয়ে যায়, কিন্তু বন্ধুটির কথা মনের এক কোনায় রয়েই যায়, ভুলতে পারিনাই আজও। খুব ইচ্ছা হয় যদি তাকে আবার খুজে পাই। সেই অল্প সময়ে যে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা গড়ে উঠেছিল তা ভুলতে পারিনাই, আর পারবোও না। যদি তুহিন এই গ্রুপে থাকো আমাকে মেসেঞ্জারে নক দিও। আর সে যদি এই গ্রুপের কারো পরিচিত হয়ে থাকে প্লিজ বন্ধুটিকে আমার মেসেজ পৌঁছে দেবেন।

Md. Mahmudul Hasan ভাই এর ওয়াল থেকে...

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@thakurgaon71.com

বাংলাদেশ বিভাগের অন্যান্য খবর