বেওয়ারিশ কুকুরের পাশে ঠাকুরগাঁওয়ের জনস্বাস্থ্যের প্রকৌশলী
প্রকাশ : ২২-০৪-২০২০ ২১:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: করোনার দাপটে সারাদেশের মতো ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জনজীবনের পাশাপাশি প্রাণী কূলের অবস্থাও শোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের কর্মহীনতায় সাধারণ মানুষের আয় রোজগার বন্ধ থাকায় সীমিত হয়ে পড়েছে রুটি-রুজিও। বন্ধ রয়েছে হোটেল সহ বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলি। যে কারণে চরম খাদ্য সংকটে রয়েছে পশু-প্রাণীরা। যাদের মধ্যে বেশি কষ্টে আছে রাস্তার বে-ওয়ারিশ কুকুর গুলো। অন্যান্য প্রাণী মানুষের সান্নিধ্যে থাকায় কিছুটা হলেও ক্ষুধা নিবারণের সুযোগ পায়। কিন্তু বে ওয়ারিশ কুকুর গুলোকে কেউ খাবার দেয় না। অফিস আদালত হোটেল রেস্তোরা, দোকানপাটসহ অন্যান্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ থাকায় কোথাও খাবার তৈরী বা খাবার নষ্ট হচ্ছে না। ফলে কুকুরেরও খাবারের সংস্থান হচ্ছে না। কারণ মানুষের ফেলে দেয়া খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ খেয়েই বে-ওয়ারিশ কুকুর গুলো তাদের ক্ষুধা নিবারণ করে থাকে। করোনার প্রভাবের কারণে যখন চরম খাদ্য সংকটে এসব কুকুরের বেঁচে থাকা দূরহ হয়ে পড়েছে এমতাবস্থায় ঠাকুরগাঁওয়ের বেওয়ারিশ কুকুরগুলোর পাশে দাড়িয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন -অর- রশীদ ঠাকুরগাঁও শহরের আশ্রম পাড়া, মুন্সীপাড়া, তাতীপাড়াসহ আশে পাশের এলাকার ক্ষুধার্ত কুকুর গুলোকে রান্না করা খাবার খাওয়াচ্ছে তিনি। খাবার খেয়ে যেন নতুন করে জীবন ফিরে পাচ্ছে কুকুরগুলো।
ঠাকুরগাঁওয়ের জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন -অর- রশীদ জানান, পূর্বে তিনি আশ্রম পাড়া ও মুন্সীপাড়ার বে-ওয়ারিশ কুকুরদের প্রতিদিন খাওয়াতেন বর্তমানে করোনার প্রভাবে ও অভুক্ত বে-ওয়ারিশ কুকুরদের জন্য আরো খাবার বাড়িয়ে দিয়ে প্রায় ১০০ কুকুরের নিজে খাবার দেন। যতদিন করোনার প্রভাব থাকবে ততদিন তিনি কুকুগুলোর খাবারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য, পূর্বে থেকে বে-ওয়ারিশ কুকুরকে খাওয়ানো ও বর্তমানে করোনা ভাইরাসের তিনার এ কার্যক্রম বেওয়ারিশ কুকুরগুলির বেঁচে থাকার সম্বল হয়ে দাড়িয়েছে।
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@thakurgaon71.com