প্রয়াত ভাষা সৈনিক এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের কনিষ্ট পুত্র আহসান উল্লাহ ফিলিপ ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী
প্রকাশ : ৩০-১১-২০২২ ২০:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
এ, কে আজাদ: ঠাকুরগাঁও- ২ আসনের বালিয়াডাঙ্গী- হরিপুর উপজেলা ও রাণীসংকৈলের (ধর্মগড় ও কাশিপুর ইউনিয়নের) এলাকার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চান আহসান উল্লাহ ফিলিপ। জাতির জনক বঙ্গোবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের একান্ত ঘনিষ্ট সহচর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত ভাষা সৈনিক এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের কনিষ্ট পুত্র আহসান উল্লাহ ফিলিপ।
তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এলাকায় জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা থাকা সত্তেও গত একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করে নানা সমীকরণে তিনি সেই সময় ছাড় দেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়ার বিষয়ে এখন শেষ ভরসা করেন আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী দেশ রত্ন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট্য সহচর ৫২ এর ভাষা সৈনিক ও ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলামের মৃত্যুর পর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পুরোপুরিভাবে সক্রিয় হন তাঁর পরিবারের লোকজন। তার কনিষ্ট পুত্র আহসান উল্লাহ ফিলিপ বাবার স্বপ্ন পূরুণের জন্য তিনি অনেক আশাবাদী হয়ে ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন, পরে তাকে দলীয় মনোনয়ন না দিলেও তিনি রাজপথ থেকে সড়ে দাড়ায়নি। বরং বিভিন্ন এলাকায় তিনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনী এলাকায় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অনুষ্ঠানসহ গ্রামীণ হাট বাজার ধমীয় উপাসানালয় বিভিন্ন ক্লাবের অনুষ্ঠানে যোগদান করে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
এখন তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে গ্রামেগঞ্জে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ঠাকুরগাঁও -২ আসনেরর নির্বচনী এলাকার উন্নয়নে ও জনগণের সেবামূলক বিভিন্ন কাজের জন্য তিনি সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। দলের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের ভালোবাসা নিয়ে তিনি আগামী জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে চান।
এ বিষয়ে আহসান উল্লাহ ফিলিপ বলেন, ঠাকুরগাঁও -২ আসনের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এর মূলায়ন সাধারণ মানুষ ও দলের কাছে ছেড়ে দিতে চাই। জীবনের অধিকাংশ সময় পার করেছি মানুষের কল্যাণে। বাকিটা সময়ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই।
ভাষা সৈনিক দবিরুলের স্ত্রী আবেদা ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার স্বামীর ভালো সম্পর্ক ছিল। এখন পর্যন্ত তার স্বামীকে জাতীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে কিছুই চান না। শুধু প্রায়ত স্বামীর রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে আমার কনিষ্ঠ্য পুত্র আহসান উল্লাহ ফিলিপকে দলীয়ভাবে মনোনয়নের দাবী জানাই।
তিনি আরো বলেন, ৫২ এর ভাষা সৈনিক ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রায়ত এ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম আমার স্বামী ছিলেন জাতীর জনক বঙ্গোবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের একান্ত আস্তাভাজন ঘনিষ্ট্য সহচর। আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আমার দুই ছেলে আহসান হাবীব বুলবুল গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিক পেয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করলে এলাকার একটি কুচক্রী মহলের গভীর ষড়যন্ত্রের কারণে পরাজিত হয়। আমার কনিষ্ঠ্য পুত্র আহসান উল্লাহ ফিলিপ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় সে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। আমার স্বামী প্রায়ত ভাষা সৈনিক দবিরুল ইসলামের স্বপ্ন পূরণে জাতির জনক বঙ্গোবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের মানস কন্যা দেশ রত্ন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ কামনা করি, তিনি যেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার ছেলেকে দলীয়ভাবে মনোনিত করে নির্বাচনে অংশ গ্রহনের সুযোগ দান করেন।
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@thakurgaon71.com