ঠাকুরগাঁওসহ পাঁচটি উপজেলায় সারাদিন ঘন-কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলেনি
প্রকাশ : ১১-১২-২০২৩ ১১:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
এ, কে আজাদ: ঠাকুরগাঁওসহ জেলার পাঁচটি উপজেলায় রবিবার সারাদিন ঘন-কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলেনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগার অফিস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। গত সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে ৭ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠা-নামা করছে।
আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো: রোকনুজ্জামান এ বিষয়ে প্রতিবেদককে জানান, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এ সপ্তাহের শেষ দিকে অথাৎ চলতি মাসের আগামী শুক্রবারের (১৫ তারিখ) পর মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করতে পারে। সেইসাথে হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশায় পাশাপাশি কনকনে ঠাণ্ডা হাঁড় কাঁপানো শীতের প্রকোপ বাড়বে। শীত ঋতু (পৌষ-মাঘ) আসার আগেই সপ্তাহ তাপমাত্রা কমতে শুরু করায় এ মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় তীব্র শীতের প্রকোপ দেখা যাবে।
এদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় ছিন্নমূল গরীব-দুঃখী মানুষ শীত নিবারনের জন্য খড়-কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। এছাড়া গরীব-দুঃখীসহ মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন শীত নিবারণের কাপড় কিনতে পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ীদের দোকানে ভিড় করছে। এখনো সরকারিভাবে গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে কোনো শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়নি।
অন্যদিকে, সর্দি, কাশি-জ্বর, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ নানান রোগে শিশু-কিশোরসহ আবাল-বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন শীতজনিত রোগে শিশুরা ডায়ারিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের সূত্রানুযায়ী বহির্বিভাগে গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে এবং আন্তঃবিভাগে গড়ে ১০ থেকে ১৫জন আক্রান্ত হয়ে মা ও শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতালের বহিঃবিভাগ ও আন্তঃ বিভাগে ঠাণ্ডাজনিত রোগের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যাই বেশি। উপজেলা হাসপাতালগুলোতে কোনো শিশু-বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত মা ও শিশু রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে কিছুটা ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (ভারঃ) ডা. সঞ্জিব চন্দ্র রায় বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় মেডিক্যাল অফিসার ও জনবল সঙ্কট থাকার পরও রোগীদের যথাসাধ্য চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া চলতি মাসে হাসপাতালের আন্তঃবিভাগ ও বহিঃবিভাগে রোগীর চাপ থাকায় প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ সঙ্কট হয়েছে তবে বাড়তি ওষুধপত্র চেয়ে জেলা সিভিল সার্জন বরাবরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@thakurgaon71.com